বুশ প্রশাসনের অফিসিয়াল দুষ্কর্মের প্রামান্য দলিল (দ্য নিউ পার্ল হারবার)

ঐতিহাসিক ৯/১১ প্রসঙ্গে ক্লেয়ারমন্ট স্কুল অব থিওলজির প্রফেসর, এমিরেটস এবং সেখানকার সেন্টার ফর প্রসেস স্ট্যাডিজের কো-ডিরেক্টর ডেভিড রে গ্রিফিন দুটো বই লিখেছেন। ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার: ডিস্টার্বিং কোয়েশ্চনস অ্যাবাউট দ্য বুশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ৯/১১’ (২০০৪) এবং ‘দ্য ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট- অমিশনস অ্যান্ড ডিস্টরশনস’ (২০০৫)। ৯/১১ ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’। নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিল্ডিং এবং পেন্টাগনে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর-এর হামলার পেছনে নানান রহস্যময় সংযোগ আছে আর সে সবের একটা ধারাবাহিক পর্যালোচনা করতে গিয়ে গ্রিফিন যে বিস্তারিত গবেষণা করেছেন- তা এই বইতে স্থান পেয়েছে। ৯/১১-এর হামলা সম্পর্কে বুশ প্রশাসনের অফিসিয়াল ব্যাখ্যায় যে সমস্ত ফাঁক-ফোকর আছে, সে সবের বিপক্ষে সম্পূর্ণ আবেগ বিবর্জিত অথচ ভারসাম্য রক্ষাকারী এবং গবেষণা ও তথ্য নির্ভর একটি মূল্যবান বই ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সেই বিভীষিকাময় সকাল থেকে বুশ প্রশাসনের অনবরত প্রচার করতে থাকা নানান ‘ষড়যন্ত্র থিয়োরির’ দিকে আমেরিকানদের নজর স্থির ছিল বলে ইতিহাসের গতিধারা বদলে দেয়া সেই সন্ত্রাসী হামলার ভেতরে যে আরো কিছু ছিল, গ্রিফিন সেই ঘটনার পক্ষের ও বিপক্ষের সমস্ত তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরেছেন এই বইতে। ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ গ্রিফিনের একটি অত্যন্ত সাহসী ও নিখুঁত দৃষ্টান্তমূলক কাজ। সুচিন্তিত এবং গবেষণা করে অনেক যত্নে লেখা এই বইটির পৃষ্ঠা ওল্টানো হবে পাঠকদের জন্য বড় বেদনাদায়ক ও অস্বস্থিকর। তবু আমাদের পৃষ্ঠা উল্টে যেতে হবে, কারণ সেই ঘটনায় যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের সম্পর্কে সত্য কথাটা জানতে হবে আমাদেরকে। ৯/১১ কে ঘিরে এবং তার আগের ও পরের বুশ প্রশাসনের ঘটনাপ্রবাহকে আমাদেরকে অন্যসব গতানুগতিক জ্ঞানের কার্পেটের নিচে গুজে রাখলে আসল সত্য চিরকালই কৌটাবন্দি হয়েই থাকবে।

আপনি যদি মাত্র ২০ ভাগ খোলা মন নিয়েও ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইটি পড়েন, তাহলে ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকার সরকারি মহলের সবচেয়ে উঁচু পর্যায়ে কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্র্যাসি বা সাংবিধানিক গণতন্ত্র যেভাবে কাজ করে বলে এতোদিন সবাই জেনে এসেছেন, তাদের সে ধারনা নিশ্চিত বদলে যাবে। বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রটির বিদ্যমান রাজনৈতিক বৈধতার গভীর সঙ্কট অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বইতে। বুশ প্রশাসনের অনেক কুকীর্তির কথাই এই বইতে অত্যন্ত জোড়ালো ভাষায় খুব নিখুঁতভআবে সাহসীকতার সঙ্গে প্রকাশ করেছেন এক আমেরিকান প্রফেসর গ্রিফিন। স্যার গ্রিফিন টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা সম্পর্কে চালু আছে এমন অনেক অজানা, অব্যাখ্যাত সত্য ঘটনা ছাড়াও ৯/১১-এর স্বাধীন তদন্ত প্রভাবিত করতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বুশ প্রশাসনের নানামুখী প্রয়াস এবং ৯/১১-এর আগে বুশ প্রশাসনের ভেতরের লোকদের তৈরি করা প্রচুর ব্লু প্রিন্টের অনেক প্রমান হাজির করেছেন ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইতে। ৯/১১ হামলার পর বুশ প্রশাসনের প্রায় প্রত্যেকে সেই ব্লু প্রিন্ট অনুযায়ীই কাজ করে গেছেন চাবি দেয়া পুতুলের মতো। গ্রিফিন অসাধারণ ধৈর্য, তিতিক্ষা ও মেধা নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য টুকরো টুকরো তথ্য উদ্ধার করে একত্রিত করেছেন এই বইতে।

৯/১১-এর পর আমেরিকান মিডিয়ার মূলস্রোত হ্যান্ড-ইন-গ্লাভ বা চোরের সাক্ষী গাঁটকাটার মতো একজোট হয়ে সরকারের সহযোগী হিসাবে কাজ করেছে। বিনা প্রশ্নে সবকিছু মেনে নেয়াই দেশপ্রেম- বুশ প্রশাসনের এই নীতির কেউ ভিন্ন মত পোষণ করলে পরিণাম শুভ হবে না বলে পরোক্ষ হুমকিকে সেদিন মিডিয়া ভয়ে রা শব্দটি করেনি। মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বুশ প্রশাসনকে ৯/১১ সঙ্ক্রান্ত কোন কঠিন প্রশ্ন করা হলে জবাব দেয়ার বদলে কাগজের তৈরি ছোট ছোট আমেরিকান পতাকা দোলানো তখন রীতি হয়ে গিয়েছিল। কোথাও পরিস্থিতি ঘোলাটে দেখলে শ্লোগান উচ্চারিত হতো- ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড। ৯/১১-এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে এক টিভি সাক্ষাৎকারে জর্জ বুশের ডিফেন্স সেক্রেটারি ডোনাল্ড রামসফিল্ড বিষয়টাকে বর্ণনা করেন- ‘এ ব্লেসিং ইন ডিসগাইস’ বা ছদ্মবেশে নিয়ে আশা আর্শীবাদ হিসেবে। ৯/১১-এর আসল সত্যকে পুরোপুরি মিথ্যার কম্বল দিয়ে যত্নের সাথে মুড়ে রাখার বুশ প্রশাসনের প্রচেষ্টাকে গ্রিফিন এই বইয়ের মাধ্যমে পাঠকদের বুশ প্রশাসনের ষড়যন্ত্র থিয়োরির বীভৎস সত্যের মুখোমুখী দাঁড় করান। সম্মিলিত অসত্য ভাষণ আর অস্বীকৃতির কারণে আমেরিকার জনতার বিবেক যেখানে ঘুমিয়ে ছিল- গ্রিফিন তাঁর ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইটি তাদের জন্য অ্যন্টিডোট বা প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করবে।

আরেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন একবার গণতন্ত্র রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে এই বলে সবাইকে সতর্ক করেছিলেন যে- ‘প্রাইজ অব লিবার্টি ইজ ইটারনাল ভিজিলেন্স’। স্বাধীনতার মূল্য হচ্ছে অবিরাম সতর্কতা। আমেরিকা এতোদিন যে রাজনৈতিকভাবে ধোয়া তুলসি পাতার ছদ্মাবরণ পড়ে সাধুর আচরণ করে এসেছে গ্রিফিনের ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ সেই মুখোশটি খুলে দিয়ে সেখানে তাদের ছদ্ম গণতন্ত্রের গ্রহনযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখোমুখি করেছেন। নিজের উদ্দেশ্য পূরণে ‘সুযোগ সৃষ্টি করে’ তা কাজে লাগানোর দীর্ঘ ইতিহাস আছে আমেরিকার। বিশেষ করে যুদ্ধ আর শান্তির ক্ষেত্রে। ৯/১১-এর আক্রমণকে কেন্দ্র করে বুশ প্রশাসনের সরকারি ব্যাখ্যার বিপরীতে বাছাই করা কিছু স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে গবেষণা করে গ্রিফিন আবারো প্রমাণ করলেন আমেরিকা স্বার্থের জন্য কী বীভৎস কুকর্ম করায় অভ্যস্থ এক সাক্ষাৎ শয়তান।

বুশ প্রশাসনের ‘ওয়ার অন টেরর’ ছিল আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদ বা গ্লোবাল ডমিনেশন প্রজেক্ট। ঐতিহাসিকরা একদিন ঠিকই পেছন ফিরে তাকাবেন এবং কেন ২,৮১০ জন নিরীহ মানুষকে ৯/১১-এ প্রাণ হারাতে হয়েছিল এবং কীভাবে একুশ শতকের সত্যিকারের শুরুটা হয়েছিল, সে বিষয়ে সবাই নিশ্চিত হতে চাইবেন। প্রফেসর গ্রিফিন ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইতে ৯/১১ ঘটনার সেই সব অজানা অথচ নির্মম সত্যের ভিত্তি রচনা করেছেন। বুশ প্রশাসনের যে সকল দলিলে ‘রি-বিল্ডিং আমেরিকান’স ডিফেন্স’ বা আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য ‘নতুন পার্ল হারবার’ -এর প্রয়োজন আছে বলে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে। ‘প্রজেক্ট ফর দ্য নিউ আমেরিকান সেঞ্চুরি’ নামের এক সংগঠন যে প্রকল্পের স্রষ্ঠা। ৯/১১ ঘটনা আমেরিকান ফরেন পলিসির ইতিহাসে অন্য অনেক ঘটনার সঙ্গে ফরাসি কেমিস্ট লুই পাস্তুরের বিখ্যাত স্বতঃসিদ্ধ ‘ফরচুন ফেভার্স দ্য প্রিপ্রেয়ার্ড মাইন্ড’-এর মতোই অনেক নমুনা হয়ে থাকবে।

৯/১১-এর পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে- সেন্টগ্যাস (CentGas vs Central Asia Gas Pipeline) নামের কয়েকটি তেল কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত বিশাল এক কনসোর্টিয়ামকে সুবিধা করে দেয়া। সউদি আরবের ডেল্টা অয়েল আর আমেরিকার অয়েল জায়ান্ট ইউনোকাল হচ্ছে এই কনসোর্টিয়ামের মাথা। ইউনোকালকে তুর্কমেনিস্তানের বিশাল প্রাকৃতিক ভাণ্ডারের তেল-গ্যাস আরব সাগর পর্যন্ত নিয়ে যেতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে সুদীর্ঘ পাইপ লাইন বসানোর সুবিধা করে দিতেই ৯/১১-এর এই হামলা চালানো হয়েছে। প্রফেসর গ্রিফিনের গবেষণায় এটাই প্রমাণ হয়েছে যে- ৯/১১ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেইনি, প্রতিরক্ষা সচিব ডোনাল্ড রামসফিল্ড, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর কন্ডোলিৎসা রাইস, সিআইএর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবি বাজি ক্রনগার্ড, সিআইএ-র পরিচালক জর্জ টেনেট, হোয়াইট হাউজ, পেন্টাগন, এফবিআই, ওসামা বিন লাদেন, সৌদি রাজপরিবার, আল কায়েদা, আইএসআই, ইউনোকাল, ডেল্টা অয়েল একত্রিত হয়ে অফিসিয়াল দুষ্কর্মের মাধ্যামে তাদের ‘ভিশন ফর টুয়েন্টি টুয়েন্টি’-এর সফল বাস্তবায়ন ঘটাতে ৯/১১-এর ঘটনা ঘটিয়েছে।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জন বুকানন তাঁর এক জ্বালাময়ী ভাষণে স্বীকার করেন- আমরা সবাই ৯/১১ নিয়ে মিথ্যা কথা বলেছি। সেই অনুষ্ঠানে জন বুকানন গ্রিফিন রে ডেভিড-এর ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইটির অনেক তথ্য উপাত্ত উপস্থিত আমেরিকানদের কাছে তুলে ধরে দাবী করেন- ৯/১১-এর ঘটনা নতুন করে পূর্ণ তদন্তের প্রয়োজন। গ্রিফিন হয়তো আমাদের কাছে অনেক অপ্রিয় সত্য তুলে ধরে ইতিহাসকে তার সঠিক পথে হাঁটতে প্রাথমিক কাজটি করেছেন।

PAVEPAWS বা উত্তর আমেরিকান এয়ার স্পেসের সফিস্টিকেটেড রেডার মনিটরিং সিস্টেমের কাজ ও সক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয় যে- ডাজ নট মিস এনিথিং অকারিং ইন নর্থ আমেরিকান এয়ার স্পেস। ইট ইজ ক্যাপাবল টু ডিটেক্টিং অ্যান্ড মনিটরিং এ গ্রেড নাম্বার অব টার্গেটস। অথচ ৯/১১-এর ঘটনায় পেন্টাগন যেটি হলো বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ স্থান, সেখানে হামলা হবার পরেও এক ঘণ্টা তাদের ফাইটার বিমানগুলো সেদিন ঘুমিয়ে ছিল এবং সেদিন তারা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা প্রচলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার মাধ্যমে ৯/১১-এর হামলা প্রতিহত করার উদ্যোগ নেয়নি। প্রফেসর গ্রিফিন তাঁর ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইতে বুশ প্রশাসনের অফিসিয়াল দুষ্কর্মের ক্রনিক্যাল খতিয়ান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে খুবই যত্নের সাথে তুলে ধরে এক অভাবনীয় দুঃসাহসীকতার পরিচয় দিয়েছেন। যা যে কোন পাঠককেই অধীর আগ্রহ নিয়ে খুব ঠাণ্ডা মাথায় হজম করতে হবে।

‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইতে পাঠক জানতে পারবেন কীভাবে ৯/১১ ঘটনায় পাইলট বিহীন বিমান দিয়ে দূর নিয়ন্ত্রিত রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে হামলা করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নর্থ টাওয়ারে আগে হামলা হলেও কীভাবে সাউথ টাওয়ার প্রথমে ধ্বসে যায়। আর অতো বড় টাওয়ারের ধ্বংসাবশেষ থেকে কেউ যাতে কোনো প্রমাণ সামগ্রী হাজির করতে না পারে সে জন্য বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের মাধ্যমে গোটা টাওয়ারের সবকিছুকে ধুলায় পরিনত করে কালো মেঘ বানিয়ে সেদিন উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে মজার যে ব্যাপারটি সেটি হলো- পেন্টাগনে বোয়িং ৭৫৭-এর হামলা বলে যা চাউর করা হয়েছিল, সেটি ছিল আসলে একটা মিসাইল হামলা। ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য দুষ্কর্মটি করে তাকে খোড়া অজুহাত বানিয়ে বুশ প্রশাসন কীভাবে আফগানিস্তান ও ইরাকে হামলা চালিয়ে পূর্ব-পরিকল্পিত ভিশন ফর টুয়েন্টি টুয়েন্টি বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়েছিল, সেই সব কঠিন সত্যের মুখোমুখি হতে পাঠককে প্রফেসর গ্রিফিনের ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বারবার পড়ার জন্য প্রেরণা যোগাবে। ওসামা বিন লাদেন, আল-কায়েদা যে বুশ প্রশাসনের সৃষ্টি এবং লাদেন আর বুশের মধ্যে যে সুগভীর বন্ধুত্ব এবং পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক এখনো বর্তমান তা ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ পাঠের আগে পাঠক কল্পনায় ভাবতে পারবেন না। প্রফেসর গ্রিফিনের ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ বইটি একটি ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার দলিল হয়ে থাকবে বলে পাঠক মাত্রই দাবী করবেন।           

দ্য নিউ পার্ল হারবার।। ডেভিড রে গ্রিফিন।।  অনুবাদ: ইফতেখার আমিন।। প্রচ্ছদ: মশিউর রহমান।।
প্রকাশক: আলমগীর সিকদার লোটন।। মূল্য: ২০০ টাকা।। পৃষ্ঠা: ২০৮।।

গাবতলা, মগবাজার, ঢাকা
১৮ মার্চ ২০১০। ৪ চৈত্র ১৪১৬